ছড়া


রান্নাবাড়া অনেক হলো, ভাল্লাগেনা আর,
ভাবতে ভাবতে কমেণ্ট এলো, দারুণ, চমৎকার!
ভাবছি এখন, লিখব নাকি?
আজ যা নগদ, কাল তা বাকী,
বাসি ভাতেই মটন-পোলাও, মশলা মজাদার...
খাবে তো খাও, নয় তো আমি যাচ্ছি পগারপার!
'না খেয়ে আর উপায় বা কী?
মনের দুঃখ মনেই রাখি,
সবকিছুই ওপর-চালাকি, এটাই সারাৎসার...
শুনছ? আমার রাত্তিরেও পোলাও চাই আবার!'
এবার দুটো স্মাইলি দিয়ে,
পোলাও চাখতে যাই পালিয়ে,
জমছে পোলাও, তেলেঘিয়ে, সুগন্ধ কী তার!
বাকী গল্প জমা থাকলো, হবে পরের বার! ------কপোতাক্ষী ©

Comments

Popular posts from this blog

গনগনে রোদে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলে আমার খুব শ্মশানের কথা মনে পড়ে। শৈশবে শ্মশানের খুব কাছাকাছি বড় হয়ে ওঠা আমি, মুহূর্তেই যেন সে দিনগুলোয় ফিরে যাই। যে দিনগুলোয় অকারণেই আমি খুব অভিমানী হয়ে উঠতাম, যখন রাত্তিরবেলায় 'হরিবোল' ধ্বনি, মাঝে মাঝেই আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতো অগম্য ঠিকানায়! বিছানায় শুয়ে থাকা আমার শরীর,মুহূর্তেই ল্যাম্প-পোষ্ট ভেদ করে কোথায় যে ভেসে যেতে যেতে অন্ধকার রাতে স্পষ্ট শুনতে পেতো নীচে একদঙ্গল জনতার 'হরিবোল' ধ্বনি! ওরা কি আমাকে শ্মশান পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে? জানার আগেই ঘুম ভেঙ্গে যেতো এক অজানা আতঙ্কে,আমি কখনো ভয়ে বিড়বিড় করতাম, আর ঘুম ভেঙ্গে যেতো! কখনো বা অন্য কোনো ভয় আমাকে তাড়িয়ে বেড়াতো! মনে হতো এ কোন রহস্যময় জগতে আমার ঠিকানা! এই ভয়গুলো আজও আমার সঙ্গ ছাড়েনি, কেন কীজানি...!আজও সেই গনগনে রোদের দিকে তাকিয়ে থাকলে আমার শ্মশানের কথা মনে পড়ে! আর আমার দেহ টা মুহূর্তেই একটা মৃতদেহ হয়ে যায়! দেহের খাঁচা পুড়তে পুড়তে যখন ছাই হতে থাকে, আমি তখন গনগনে রোদের আঁচ অনুভব করি আর আমার বালিশের তূলো ভেসে ভেসে পেঁজা-তূলোর মত মেঘের সঙ্গে মিশে যায়, আমি ধরতে গিয়েও পারিনা। শুধু দেখি, দেখতেই থাকি! (২০১৭)

ছড়া

শীতের দুপুরে